অনুলিখনঃ জুয়েল তরফদার সভাপতি, জাপান আওয়ামী লীগ

অন্যান্য

কয়েকদিন পরেই ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। প্রতিবছর আমরা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে অনেক প্রস্তুতি নিই। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। একদিকে করোনা, অন্যদিকে বন্যা। প্রতিবছর আমরা কোরবানির ঈদে শহরে মানুষ দেশের বাড়িতে যাই, হাট থেকে পশু কিনে কোরবানি দিই; কিন্তু এ বছর আমরা অনেকেই হয়তো তা আর পারব না।

কোরবানির অর্থ হচ্ছে ত্যাগ, তাই আমরা যদি মানবতার এই চরম দুর্দিনে নিজেদের জন্য যা অপরিহার্য নয়, সেই চাহিদাগুলোকে লাগাম টেনে মানুষের কল্যাণে নিজেদের ভোগ-বিলাসের কিছু অংশ ত্যাগ করতে পারি, তবেই এই কোরবানি অর্থবহ হয়ে উঠবে; এই বিবর্ণ করোনাকালে কোরবানি কিছুটা হলেও আলো ছড়াবে ধনী-দরিদ্র সবার মাঝে। হয়তো কিছুটা উৎসবের রং লাগবে সবার জীবনে। যে উৎসবে দরিদ্র বা বন্যাকবলিত মানুষ অসহায়ভাবে নিজেরা আধপেট খেয়ে বা খোলা আকাশের নিচে থাকবেন, আর আমরা অনেকে নির্বিকারে উদরপূর্তি করব- সেটি আর যাই হোক প্রকৃত ঈদুল আজহা উৎসব হতে পারে না। ত্যাগ আর আনন্দের ভাগাভাগিই ঈদুল আজহার প্রকৃত মহিমা।

অনুলিখনঃ জুয়েল তরফদার
সভাপতি, জাপান আওয়ামী লীগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *